ফ্রিল্যান্সিং-এর ম্যাধমে কিভাবে সফলতা লাভ করবেন এবং হতাশা দূর করবেন (পর্ব ১)

Successful freelancer

ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে বাংলাদেশে একটি অনেক আলোচিত পেশা। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ও এই সম্পর্কিত সরকারি নানা উদ্যোগ এর কারণে বর্তমানে অনেক মানুষ ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানছে এবং আরো জানতে আগ্রহী হচ্ছে।

তবে, বিষয়টির প্রচার প্রসারের সাথে সাথেই বিষয়টি সম্পর্কে অনেক ভুল ধারণাও ছড়াচ্ছে। অনেকে মনে করে, যাকে দিয়ে কোন কিছু হবেনা সে ফ্রিল্যান্সিং করবে। আসলেই কি তাই? বিষয়টি কি এতটাই সহজ?

আবার, অনেকে ফ্রিল্যান্সিং জগতে এসে হারিয়ে যাচ্ছে এবং হতাশ হয়ে পড়ছে। কেন এরকম হচ্ছে? আবার অল্প কিছু সংখ্যক লোক হয়ত সফল হচ্ছে এবং সফল বলে নিজেকে দাবি করতে পারছে। কিন্তু বেশিরভাগ-ই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে।

এই দুটি প্রশ্নের দিকে লক্ষ রেখে আজকে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক লেখাটি লিখার ইচ্ছা রাখছি।

 

 

ফ্রিল্যান্সিং কি? এটি কি অনেক সহজ একটি পেশা?

আপনি কি অবাক হবেন যদি আমি আপনাকে বলি একজন রিকশাওয়ালাও ফ্রিল্যান্সার? অথবা, একজন অভিনেতা, কিংবা ঝালমুড়ি বিক্রেতা ?

প্রথমত, ফ্রিল্যান্সিং কথাটার মানেই আমরা অনেকে বুঝি না।

ফ্রিল্যান্সিং মানে হচ্ছে মুক্তপেশা, অর্থাৎ আপনি যেখানে কারো অধীনে থেকে কাজ করেন না, এবং কারো কথা শুনতে বাধ্য না – এমন পেশাই হল ফ্রিল্যান্সিং।

আর অন্যদিকে পেশার আর একটি মাধ্যম হচ্ছে চাকরি, যেখানে আপনি কারো অধীনে থেকে কাজ করেন, এবং আপনি আপনার চাকরিদাতার কথা শুনতে বাধ্য।

চিন্তা করুন, একজন রিকশাওয়ালাকে যখন আপনি কোথাও যেতে বলেন, সে কি বাধ্য আপনার কথা শুনতে? না! তার ইচ্ছা হলে যাবে, নাহলে না। গেলে উপার্জন হবে তার, না গেলে হবে না। কিন্তু এমন কিন্তু নয় যে সে আপনার কথা শুনে কোন যায়গায় যেতে বাধ্য।

অন্যদিকে, ধরা যাক একজন সাংবাদিক, যে কোন টিভি চ্যানেলের অধীনে কাজ করে। সে কিন্তু তার চাকরিদাতার কথা শুনতে বাধ্য। তাকে যদি তার বস বলে যে – অমুকের একটি ইন্টারভিউ নিয়ে আসো, তাকে কিন্তু যেতেই হবে। সে বলতে পারবে না যে অমুককে আমার ভাল লাগে না, আমি পারব না ওনার ইন্টারভিউ নিতে। বললেই চাকরি নট!

তাহলে বোঝা গেল ফ্রিল্যান্সার আর চাকুরিজীবির প্রধান পার্থক্য কোথায়? আমরা যদি পয়েন্ট আকারে বলি, তবে দেখা যায় –

স্বাধীনতা – ফ্রিল্যান্সাররা স্বাধীন – তাদের কোন সরাসরি বস নেই, ফ্রিল্যান্সাররা নিজেই  নিজের বস। সে নিজের কাজের ধরন, সময়, কাজ নির্বাচন  সব নিজেই করে। করো কথা শুনতে সে বাধ্য নয়। অন্যদিকে প্রথাগত চাকুরিতে আপনি আপনার চাকরিদাতার কথা শুনতে বাধ্য। বস যা নিদের্শ দেন তা পালন করতে হয়। কাজের ধরন, সময়, কাজ নির্বাচন সব বস ঠিক করে দেন।

উপার্জনের ধরণ – ফ্রিল্যান্সারদের উপার্জন পরিবর্তনশীল। তাদের উপার্জন নির্ভর করে তারা কতগুলো ক্লায়েন্ট পেল বা কতগুলো প্রজেক্ট শেষ করলো তার উপর। এই যে আপনি যখন রিকশায় উঠে কোথাও যান, তখন আপনি কিন্তু সেই রিকশাওয়ালার জন্য একজন ক্লায়েন্ট এবং আপনাকে গন্তব্যে পৌছে দেয়া তার জন্য একটি প্রজেক্ট। সে এই প্রজেক্টটি শেষ করতে পারলে টাকা পাবে, অন্যথায় নয়।

অন্যদিকে, চাকরিজীবিদের উপার্জন মোটামুটি ফিক্সড বলা চলে। যে চুক্তিতে তারা চাকরিতে জয়েন করে, সে হিসাবে মাস শেষে তাদের বেতন পেয়ে যাবার কথা। কোন মাসে কাজের প্রেশার বেশি থাকতে পারে, কোন মাসে হয়ত কম, কিন্তু বেতন টা তাদের একই থাকে – কতটুকু কাজ করা লাগল সেটার কোন সরাসরি প্রভাব তাদের বেতনে পড়ে না।

তাহলে, ব্যাপারটা কি দাড়া্লো?

এতক্ষনে  হয়ত বুঝে ফেলেছেন যে “ফ্রিল্যান্সিং” আসলে কোন পেশা নয়, বরং এটি একটি পেশার ধরন। মানে কোন একটি পেশা যদি “মুক্ত” স্বভাবের হয়, অর্থাৎ যা কারো অধীনে থেকে করতে হয় না, তাহলে সেই পেশাকে আমরা বলব যে সেটি একটি ফ্রিল্যান্স পেশা।

যেমন – ফ্রিল্যান্স এক্টর (অভিনেতা), ফ্রিল্যান্স ডিরেক্টর! এনারা একটা মুভি বা নাটক প্রজেক্ট হিসাবে নেন, কাজটি করেন, ক্লায়েন্ট থেকে পেমেন্ট নেন – এখানেই শেষ। এরপর আর তাদের দায়বদ্ধতা থাকে নাহ।

তাহলে, আমরা সচরাচর ফ্রিল্যান্সিং বলতে যা বুঝি, সেটার আসল নাম কি?

এক কথায় বলতে পারি, আইটি ফ্রিল্যান্সিং। অর্থাৎ, ইন্টারনেট টেকনোলজি নির্ভর যে “ফ্রিল্যান্স” পেশাগুলো আছে, সেগুলোই আইটি ফ্রিল্যান্সিং বলা যায়। যদি আরো স্পেসিফিক ভাবে বলতে চাই, তাহলে একজন ব্যক্তি ঠিক কি ধরনের কাজ করছে, সে হিসাবেও বলা যায়, এবং সেটিই বেশী যুক্তিযুক্ত।

যেমন – কেউ যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে, তাকে আমরা বলতে পারি ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করলে তাকে বলতে পারি ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপার – ইত্যাদি ইত্যাদি।

তবে, এখানে একটা কথা আছে। ইন্টারনেট নির্ভর পেশা মানেই কিন্তু আইটি ফ্রিল্যান্সার না। সবার যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে “মুক্ত” পেশা-ই অবলম্বন করতে হবে এমন নয়।

অনেকেই কিন্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরের কোন কোম্পানির সাথে চাকুরি করে, অর্থাৎ একটি ফিক্সড মাসিক বেতনে, এবং সেখানে দায়বদ্ধতা থাকে, আমাদের সাধারণ জীবনের চাকুরিগুলার মত। এখানে ইন্টারনেট শুধু ওই ব্যক্তি এবং ওই কোম্পানির একটি যোগাযোগের মাধ্যম।

আবার, অনেকে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসাও করে কিন্তু। আজকাল প্রায়ই ফেসবুকে টি শার্ট বা ওরকম পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখতে পাওয়া যায়। এখানে কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করছে, ফ্রিল্যান্সিং নয়। এধরনের লোকদের আইটি উদ্যোক্তা বলা হয় – যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়ে ব্যবসা করে।

তাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে উপার্জন মানেই সেটা আইটি ফ্রিল্যান্সিং নয়। বরং ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুক্ত পেশা অবলম্বন করলে তবেই সেটা আইটি ফ্রিল্যান্সিং। যেমন – ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার, ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপার।

আবার, ইন্টারনেটের মাধ্যমে চাকুরি করলে সেটা আইটি জব, এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করলে সেটা আইটি উদ্যোক্তা।

ব্যাপারটা পরিষ্কার এখন? কমেন্টে জানাবেন কিন্তু।

আচ্ছা, ফ্রিল্যান্সিং কি সহজ পেশা নাকি সেটাই তো বললেন না!

হ্যা, তাই তো! তবে ইচ্ছা করেই এখনো বলিনি, আগে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ধারণা টা পরিষ্কার করতে চেয়েছিলাম!

তো যাই হোক, যেহেতু আমরা ব্যাপারটা পরিষ্কার, তো এখন থেকে আমরা কিন্তু আর ফ্রিল্যান্সিং বলব না, আমরা আইটি ফ্রিল্যান্সিং বলব, ঠিকাছে তো?

এখন কথা হচ্ছে, আইটি ফ্রিল্যান্সিং সহজ নাকি কঠিন?

এই জিনিষটার বিচার আপনি করবেন, আমি শুধু আপনার সামনে বাস্তব অবস্থা তুলে ধরব।

প্রথম কথা হচ্ছে, আইটি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলো বা প্রজেক্টগুলা কোথায় পাওয়া যায়? আমরা যেমন চাকরির জন্য সরকারি অফিস বা কোম্পানিতে আবেদন করে ইন্টারভিউ দিয়ে চাকরিতে ঢুকি, কিন্তু আইটি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলা আসলে কিভাবে পাওয়া যায়?

একবার কস্ট করে upwork.com, fiverr.com, freelancer.com, Have Work  সাইট গুলোতে ঘুরে আসুন। তারপর বলছি।

কিছু বুঝেছেন?

না বুঝলে আমি বুঝিয়ে বলছি। সাইটগুলো নিশ্চয় দেখেছেন, বিভিন্ন কাজ/জব পোষ্ট করা আছে? যেমন কারো একট ওয়েবসাইট বানিয়ে দিতে হবে, কারো ভিজিটিং কার্ড বা লোগো ডিজাইন করে দিতে হবে এবং এরকম আরো অনেক কাজ।

এই সাইটগুলোকে বলে মার্কেটপ্লেস। এখানে যাদের কাজ করিয়ে নেওয়ার দরকার, তারা ‘ক্লায়েন্ট’ একাউন্ট খুলে তাদের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত লেখে এবং টাকার পরিমাণ বলে দেয়।

যারা আইটি ফ্রিল্যান্সার, অর্থাৎ এই কাজগুলো যারা করে, তারা ‘ওয়ার্কার’ একাউন্ট খোলে এবং ক্লায়েন্ট দের দেওয়া ওই সমস্ত কাজ পাওয়ার জন্য আবেদন করে।

তারপর ক্লায়েন্ট আবেদনকারীদের মধ্য থেকে তার পছন্দের ওয়ার্কার দিয়ে কাজটা করিয়ে নিয়ে পেমেন্ট করে দেয়, এবং সেই পেমেন্টের কিছু অংশ মার্কেটপ্লেস রাখে তাদের কমিশন হিসাবে, বাকি অংশ ওয়ার্কার কে দিয়ে দেয়। এই হচ্ছে মূলত কাজ দেওয়া-নেওয়ার সিস্টেম।

এখানে কয়েকটা বিষয় পয়েন্ট আউট করা দরকার –

প্রথমত, প্রতিযোগিতা বা কম্পিটিশন। আপনি যদি আইটি ফ্রিল্যান্সিং এর মার্কেটপ্লেসগুলার কথা চিন্তা করেন, এগুলোতে অনেক বেশি কম্পিটিশন। কেন? কারণ এখানে দুনিয়ার যেকোন দেশের যে কেউ একাউন্ট খুলে কাজের জন্য আবেদন করতে পারে। এজন্য এখানে বেশিরভাগ স্কিলের জন্য ওয়ার্কার সংখ্যা অনেক বেশি।

অর্থাৎ, আপনি যদি দেশে একটি চাকরির জন্য আবেদন করতেন, তাহলে আপনাকে শুধুমাত্র দেশের গন্ডিতে যারা আছে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হত, এবং সেই সংখ্যাটা এতটাও বেশি নয়। কিন্তু আইটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে একটি প্রজেক্টের বিপরীতে অনেক বেশি আবেদন পড়ে, তাই সেখানে কাজ পাওয়া যথেষ্ট কঠিন।

তবে এখানে বলে রাখা ভাল যে, কাজ করার লোক যেমন বেশি তেমন কাজ দেওয়ার লোকও এখানে বেশি, কারণ সারা বিশ্বের যে কেউ এখানে কাজ দিতে পারে। যেহেতু কাজের সংখ্যা বেশি, এজন্য কাজ পাওয়ার কিছু সম্ভাবনা থাকে।

দ্বিতীয়ত, যোগাযোগ। আগেই বলেছি, আইটি ফ্রিল্যান্সিং এর মার্কেটপ্লেসগুলো ইন্টারন্যাশনাল। তাই সেখানে যাবতীয় সবকিছু ইংরেজিতে করতে হয়।

আপনি যে আবেদন করবেন কাজের জন্য সেটার জন্য যে কাভার লেটার লিখতে হয় সেটা থেকে শুরূ করে ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ ও কথা বলা সবই ইংরেজিতে করতে হয়। এজন্য কাজ করার এবিলিটি থাকার পাশাপাশি আপনার ইংরেজিতে যোগাযোগ করার ক্যাপাবিলিটি থাকাটা মাস্ট বলা যায়।

এছাড়া, এ কাজগুলার জন্য আপনাকে সর্বক্ষণ নিজেকে আপডেট রাখতে হয় নতুন নতুন জ্ঞানের সাথে, যার বেশিরভাগ এ শুধুমাত্র ইংরাজি ভাষায় এভেইলেবল।তাই সেগুলা জানার জন্যও আপনার ইংরাজিতে ভাল কমান্ড থাকা জরূরী।

তৃতীয়ত, স্কিল এবং নিজেকে সর্বক্ষণ প্রমাণ করতে পারার প্রেশার। আচ্ছা আপনি যে আইটি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলা করবেন, তার জন্য তো আপনার আগে কাজ পারতে হবে, নাকি? কাজটা শিখবেন না?

প্রথমে আপনি পচন্দ করবেন যে আপনি কোন কাজ শিখতে চান – যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। যেকোন একটি কাজ শেখার জন্য আপনাকে মিনিমাম ৬ মাস থেকে শুরু করে ১ বা ২ বছর পর্যন্ত প্রত্যক্ষভাবে সময় দিতে হবে। যে কাজই শিখুন না কেন, সেটা আপনাকে ভাল ভাবে শিখতে হবে। হালকা হালকা জ্ঞান নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং -এর কাজ করা যায় না।

এমন না যে আমরা পরীক্ষার সময় মুখস্ত করে পরীক্ষা দিয়ে ভুলে যাই। আপনাকে অবশ্যই কাজটি ভালভাবে শিখতে হবে এবং করতে পারতে হবে।

ভাল ব্যাপার হচ্ছে যে, এখানে আমাদের ছাত্রজীবনের মত এত লম্বা সময় যেমন ১৫-১৬ বছর দিতে হয় নাহ। তবে যে সময়টুকু দিতে হয় সেটা খুবই মনযোগ সহকারে দিতে হয় আর এই কাজগুলো শেখার কোন শেষ নেই, আপনাকে নতুন জিনিষ শিখতেই থাকতে হবে কন্টিনিয়াসলি।

আরেকটা দিক হচ্ছে, নিজেকে  দক্ষ প্রমান করতে হেবে  সবসময়। এই পেশায় আপনাকে একটার পর একটা কাজ করতে থাকতে হয়। তো সমস্যা হচ্ছে, একটা কাজে যদি আপনি ভাল না করেন এবং ক্লায়েন্ট যদি অখুশি হয়ে আপনাকে খারাপ রিভিউ দেয়, তাহলে পরবর্তী কাজ পেতে সেটা বাধা হয়ে দাড়াতে পারে।

এজন্য প্রতিনিয়ত ভাল কাজ করতে থাকার মাধ্যমে ক্লায়েন্টদের খুশি করে ভাল রিভিউ নিয়ে যেতে হবে আপনাকে, পরবর্তীতে আরো কাজ পেতে হলে।

আপনি যখন প্রথাগত চাকুরি করেন, তখন এই প্রেশার আপনার উপরে খুবই কম থাকে, বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে তো থাকে না বললেই চলে। এখানে আপনি কোন কাজ ঠিকভাবে না করলেও বড়জোর একটু বসের ঝাড়ি শুনতে হতে পারে, কিন্তু আপনার স্যালারি কমে যাবে না। যে সুযোগটা আইটি ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে নেই।

তো এখন আপনিই বলুন, ফ্রিল্যান্সিং সহজ নাকি কঠিন মনে হচ্ছে? এটলিস্ট এটুকু বলুন, ‘যাকে দিয়ে কিছু হবে না সে ফ্রিল্যান্সিং করবে’, এই কথাটা সত্য মনে হচ্ছে?

সম্ভবত প্রথম প্রশ্নের উত্তর আপনি পেয়ে গেছেন। লেখা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে বোধহয়। দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর পরের আর্টিকেলে দেই?

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

One Response

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *